বৌ করতে যেমন নারী পছন্দ ছেলেদের!

নাসরিন পারভীনঃ  একটা নির্দিষ্ট বয়সে এসে বিশ্বের প্রতিটি পুরুষের মনের
গহীনে একটি প্রশ্ন বারবার শুধু উকিঁ মারতে থাকে তা হলো, জীবনসঙ্গী হিসেবে
কেমন নারীকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলে সংসার জীবন সুখের হবে। প্রিয় পাঠক
এটা একটা সাধারণ প্রশ্ন হলেও কথায় কিন্তু আছে, সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে,
গুনবান স্বামী যদি থাকে তার সনে। মনের মতো জীবনসঙ্গী না হলে যেমন সংসার
সুখের হয় না , সঠিক তেমনি সংসার সুখের করতে হলে আপনার গুণের পাশাপাশি গুণী
জীবনসঙ্গী থাকতে হবে। নতুনখবরের পাঠকবন্ধুদের জন্য তাই তুলে ধরা হলো
স্বপ্নের জীবন সঙ্গীটির গুণ কেমন হবে। তাহলে আর দেরি না করে ঝটপট জেনে নিন।


  প্রাণখোলাঃ

প্রাণখোলাঃ



প্রাণখোলাঃ

পুরুষেরা জীবনসঙ্গী হিসেবে প্রাণখোলা নারী পছন্দ করেন। গম্ভীর নারীদের
সঙ্গে কিছুদিন সংসার করার পর একঘেয়ে লাগে। কারণ তাদের মনের কোণে ক্ষোভ জমে
থাকলে তা বোঝা যায় না। ফলে সম্পর্কের উষ্ণতা রক্ষার ক্ষেত্রে তার প্রভাব
পড়ে। হাস্যরস ও উৎসাহব্যঞ্জক কথাবার্তা পুরুষদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। যদিও
বলা হয়ে থাকে নারীরাই পুরুষদের হাস্যরস কথাবার্তা বেশি পছন্দ করে, কিন্তু
মনে রাখতে হবে- এসব থেকে পিছিয়ে নেই পুরুষেরাও। একসঙ্গে কথা বলতে কিংবা সময়
কাটাতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এমন নারীকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বাছাই করুন।


শালীনতাঃ

শালীনতাঃ



শালীনতাঃ

প্রেমিকা হিসেবে স্বল্পবসনা নারী পছন্দ করলেও স্ত্রী হিসেবে শালীন পোশাক
পরে এমন নারী পছন্দ করেন পুরুষেরা। মার্জিত কথাবার্তা ও মার্জিত সাজগোজের
নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন পুরুষেরা। ঘরের বাইরে ও ভিতরে কাজের
ক্ষেত্রে গোছাল হতে হবে। অগোছালো নারীদেরকে পুরুষেরা তেমন পছন্দ করেন না।


আত্মনির্ভরশীলঃ

আত্মনির্ভরশীলঃ



আত্মনির্ভরশীলঃ

ভবিষ্যতে স্বামীর অবর্তমানে সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবেন এমন
নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন পুরুষেরা। পরনির্ভরশীল নারীদের সঙ্গে
স্বল্পকালীন জীবন কাটানো যায় কিন্তু পুরো জীবন কাটাতে গেলে হাঁপিয়ে উঠতে
হয়। সংসার জীবনে দুজনে হাত ধরাধরি করে চলতে পারবেন এমন দায়িত্বজ্ঞান
সম্পন্ন নারীদের কে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় পুরুষেরা।


শ্রদ্ধাশীলঃ

জীবনসঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এমনটা আশা করেন পুরুষেরা। নিজেদের আদর্শ ও
মূল্যবোধের সঙ্গে যেন মিল থাকে সেদিকেও খেয়াল রেখে জীবনসঙ্গী বাছাই করেন
তারা।


মনের সৌন্দর্যঃ

মনের সৌন্দর্যঃ



মনের সৌন্দর্যঃ

জীবনসঙ্গী হিসেবে শুধুমাত্র দৈহিক সৌন্দর্য খোঁজে না পুরুষ, প্রাথমিকভাবে
চোখের দেখায় ভালো লাগলেও, ‘প্রথম দর্শনে প্রেমে’ পড়ে গেলেও, চূড়ান্তভাবে
কিন্তু মনের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হন তারা। যে নারী তার পৃথিবীটাকে সুন্দর করে
দেখাতে পারে তাকেই জীবনসঙ্গী বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন পুরুষ।


আস্থাঃ

আস্থাঃ



আস্থাঃ

যে নারীর প্রতি আস্থা রাখতে পারবেন তেমন নারীকেই জীবনসঙ্গী করত চান পুরুষ। একইসঙ্গে তারা আশা করেন তাদের প্রতিও আস্থা রাখবেন নারী।


স্পষ্টতাঃ

কথাবার্তায় স্বচ্ছতা পুরুষদের আকৃষ্ট করে। যেমন, যে নারীকে পুরুষ জীবনসঙ্গী
হিসেবে চায় সে তাকে সত্যিই ভালোবাসে কী না সে বিষয়ে স্বচ্ছতা না থাকলে
পুরুষ পরবর্তীতে ভোগান্তি ও অবহেলার আশঙ্কায় পিছিয়ে যায়।

নতুনখবর.কম